A.I. বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিভবে কাজ করে

আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যও কয়েকটি ধাপগুলো শেখানো হচ্ছে। একে মেশিন লার্নিং বলা হয়।
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

আমরা যেমন কোনো বিষয়ে বা সমস্যায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চিন্তাভাবনা এবং এনালাইসিস বা বিশ্লেষণ করে থাকি, সেই ধরনের কিছু কিন্তু সাধারণত কম্পিউটার করতে পারে না৷ আর এই কম্পিউটারের ডিসিশন মেকিং এর জন্য পূর্বের ডাটা এনালাইসিস করে একটি প্রপার ও যুক্তিসঙ্গত ডিসিশন নেয়ার পদ্ধতিকেই বলা হয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিভাবে কাজ করে?

আমরা কোন অংক কিভাবে করি? প্রথমে আমরা অংকের সূত্রটি 'শিখি', তারপর অংকটি কিভবে করব তা নিয়ে 'যুক্তিসংগত চিন্তা' করি, তারপর চিন্তা করে অংকের 'সমস্যাটির সমাধান' করি, ধাপগুলো 'উপলব্ধি' করে অংকের 'ভাষায়' তা লিখি। শুধু অংক নয়, যে কোন সমস্যার সমাধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেই আমরা এ ধাপগুলো ব্যবহার করছি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিভাবে কাজ করে

আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যও এই ধাপগুলো শেখানো হচ্ছে। একে মেশিন লার্নিং বলা হয়। মেশিন লার্নিং দিয়ে ডিপফেক টেকনোলজি ও কাজ করে যা আমরা পূর্বে জেনেছি।

মেশিন লার্নিং এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

শেখা (Learning) ~ যুক্তিসঙ্গত চিন্তা (Reasoning) ~‌ সমস্যার সমাধান (Problem Solving) ~ উপলব্ধি (Perception) ~ ভাষা ব্যবহার (Using Language) 

শেখা (Learning)-

মানুষকে কোন কিছু যেমন অনেকভাবে শেখানোর যায় তেমনি কম্পিউটারকেও বিভিন্ন কৌশলে শেখানোর যায়। আর এর মধ্যে একটি হল ট্রায়াল এবং ইরর। কম্পিউটারের সাথে দাবা খেললে দেখা যায়, A.I. বা মেশিন অটোমেটিক ‘চাল’ দিতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না চেকমেট হবে। আর যখন চেকমেট হবে তখন সে ম্যাচটির পুরো গেমপ্ল্যান’টি সেভ করে রাখবে। কিভাবে কোন চালের পর কোন চাল দিয়ে চেকমেট পর্যন্ত খেলা গড়িয়েছে। এভাবে সে প্রত্যেকটি গেম প্ল্যান সংরক্ষন করে রাখবে। 

কম্পিউটার এই প্রত্যেকটি গেইমের প্রতিটি মুভ’কে সলভিং হিসেবে ধরে নিয়ে সমস্যা সমাধান করবে। একে বলা হয় ‘জেনারেলাইজেশন।’ অর্থাৎ নতুন নতুন গেমপ্ল্যান শিখে কম্পিউটার জেনারেলাইজেশন এর মাধ্যমে নতুন সমস্যার সমাধান পদ্ধতির সাথে পুরানো ও অন্যান্য সংরক্ষিত সমস্যার সাথে তুলনা করে একটি আরও ভালো নতুন সমাধান দিবে।

মেশিন লার্নিং

যুক্তিসংগত চিন্তা (Reasoning)-

কম্পিউটার দুইভাবে যুক্তিসঙ্গত চিন্তা করে। ১. ডিডাকটিভ এবং ২. ইন্ডাক্টিভ । 

ডিটেকটিভ হচ্ছে অনুমাননির্ভর, ধরা যাক ‘রুপ হয় বাসায় না হলে দোকানে গেছে।’ এখন কম্পিউটার প্রথমে যে কোন একটি চেক করে দেখবে, তারপর সিদ্ধান্তে আসবে। রুপম কি বাসাত আছে? যদি থাকে তাহলে কম্পিউটার উত্তর পেলো। আর যদি না থাকে তাহলে বুঝবে সে স্কুলে আছে। 

আর ইন্ডাক্টিভ পদ্ধতি হচ্ছে, আগে থেকেই কম্পিউটার কোন বিষয়টি কিভাবে চিন্তা-ভাবনা করবে তা নির্ধারণ করে দেওয়া। যেমন বিজ্ঞানের কোন বিষয় যদি আগে থেকে ব্যাখ্যা করে কম্পিউটারকে বোঝানো হয়, তাহলে সে খুব সহজে বুঝতে পারবে সমস্যাটির সমাধান কি দেওয়া উচিত। 

সমস্যা সমাধান (Problem Solving)-

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সমস্যার সমাধান বলতে কিছু নির্দিষ্ট উপায় সার্চ করতে করতে সলিউশন খোঁজাকে পদ্ধতিকে সমস্যার সমাধান বলে। এ ধরনের সমস্যার সাধারণত দুই ভাবে করা সম্ভব। স্পেশাল পারপোজ এবং জেনারেল পারপোজ। স্পেশাল পারপোজ এর ক্ষেত্রে আগে থেকেই কোন সমস্যার সমাধানের একটি রোডম্যাপ দেয়া থাকে। যেটি ধরে সামনে এগোতে থাকলে সমস্যাটি একটা সমাধান বের করা যায়।

অপরটি হচ্ছে জেনারেল পারপোজ যা এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে প্রতিটি পদক্ষেপ ধীরে ধীরে গ্রহণ করে এবং তারপর সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যদি কোন রোবটকে প্রথমে বলা হলো, প্রথমে বাম দিকে ফিরো, তারপর শরীর সেদিকে ঘোরাও, তারপর সেদিকে হাঁটতে শুরু করো। অর্থাৎ এভাবে ধাপে ধাপে সমাধানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

উপলব্ধি (Perception)-

সেলফ ড্রাইভিং কার সম্পর্কে জানেন না এমন লোক খুজে পাওয়ার কথা না। এই অটোমেটিক গাড়িগুলো সাধারণত সেল্ফ ড্রাইভের জন্য ক্যামেরার বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করে থাকে। এই গাড়িগুলোর উপরে থ্রি-সিক্সটি ডিগ্রী ক্যামেরা থাকে যে কম্পিউটারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মাধ্যমে ডাটা প্রসেস করে সেল্ফ ড্রাইভ করে থাকে। এই সেন্সর ও আর্টফিশিয়াল প্রসেসরযুক্ত ক্যামেরাগুলো রাস্তায় অন্যান্য গাড়ির অবস্থার পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে গাড়ির গতি ও পরবর্তী গতিবিধি কি হবে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

একইভাবে ডাটা প্রসেস করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও উপলব্ধি বিষয়টি নিয়ে এভাবে কাজ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইন্টারনেট বা সার্ভার থেকে তথ্য-উপাত্ত গ্রহণ করে এবং সেই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে একটি  কাঠামো দাঁড় করিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্যা সমাধান করা হরে, যা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে থাকে।

ভাষা ব্যবহার (Using Language)-

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ভাষা একটি বড় বিষয়। সেলফ ড্রাইভিং কার গুলো যখন কোন স্পেসিফিক লোকেশন এর মধ্য দিয়ে যায়, তখন সেখানকার সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো তাকে বুঝতে হয়। যেমন রাস্তায় যে ধরনের ট্রাফিক ইন্ডিকেটরগুলো দেয়া থাকে সেগুলোর মধ্যে ও স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করা হয়। এই ভাষাগুলো যদি সিস্টেম বা মেশিন ধরতে না পারে তাহলে সে ভুল নির্দেশনা দিতে পারে।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অনলাইন দুনিয়ার যেকোনো তথ্য প্রসেস করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে। এছাড়াও গুগল, ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউব ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফল ব্যবহার করছে। আপনি যখন গুগলে কোনো কিছু সার্চ করেন, তখন গুগল আপনার ইন্টারনেটের কার্যবিধি দেখে আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত ফলাফল আপনার কাছে প্রদর্শন করে। আর চ্যাটজিপিটি এর মত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে হুমকিও মনে করছেন অনেকে। তবে বলে রাখা ভালো চ্যাটজিপিটি হুমকি মনে করার যথেষ্ট কারন আছে এবং কিছু ক্ষেত্রে হুমকি হলেও চ্যাটজিপিটি কখনোই মেধার বিকল্প হতে পারবে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.