নতুন মোবাইল কেনার আগে এই ১১টি বিষয় অবশ্যই দেখে নেয়া উচিত

র‍্যাম আর প্রোসেসর আপনার মোবাইলের স্মুথনেস আর কাজ করার ক্ষমতা ও দ্রুততা নির্দেশ করবে। আপনি যদি শুধু কল আর টুকটাক কাজে ফোন ব্যবহার করেন তাহলে ২/৩ জিবি
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

নতুন মোবাইল কেনার সময় একেকজনের মনোভাব একেকরকম। কেউ দোকানে গিয়ে বাজেটের মধ্যে বিক্রেতার পরামর্শ অনুযায়ী মোবাইল কিনে নেন, আবার কেউবা অনেক সময় নিয়ে রিসার্চ করে নিজের জন্য একটি ভালো মোবাইল কিনে আনেন। আবার কেউ কেউ আছেন যারা এদিক ওদিক একে সেকে জিজ্ঞাসা করে কিনে ফেলেন মোবাইল।

নতুন মোবাইল কেনার আগে এই ১১টি বিষয় অবশ্যই দেখে নেয়া উচিত

মোবাইল কেনার সময় অবশ্যই নিজের চাহিদা মেটাবে এমন ফিচার সম্পর্কে রিসার্চ করেই কেনা উচিত। অন্য ব্যক্তি আপনার চাহিদা সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারবেন না। তাই মোবাইল কেনার আগে কিভাবে যাচাই করবেন কোন মোবাইলটি আপনার জন্য ভালো হবে-

নতুন মোবাইল কেনার আগে এই ১১টি বিষয় অবশ্যই দেখে নেয়া উচিত

১. সিম স্লট -
বর্তমানে এন্ড্রয়েড এর বাজারে দুই ধরনের সিম স্লট পাওয়া যায়।
১. দুটো সিম + ডেডিকেটেড মেমোরি কার্ড স্লট, কিংবা
২. একটা সিম + একটা হাইব্রিড স্লট যেখানে আপনি আপনার পছন্দ মত সিম বা মেমোরি কার্ড দুটোর একটা ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি ডুয়েল সিম ব্যবহারকারী হন তাহলে আপনার জন্য প্রথম অপশনটাই হবে ভালো, আবার সিংগেল সিম ইউজারদের জন্য যে কোন একটি হলেই হলো।
তবে, ওভারওল ক্ষেত্রে প্রথমটিকেই আপনার গুরুত্ব দেয়া উচিত। এটি আপনাকে মেমোরি কার্ড ও সিম ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ দিবে।

২. ফোন স্টোরেজ -
বর্তমানে ফোন স্টোরেজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা প্রায়ই আমাদের সকল তথ্যাদি, ছবি, ফাইল, মুভি দিয়ে আমাদের ফোন ভরিয়ে রাখি। বাজারে এখন ৬৪,১২৮,২৪৮ জিবি ফোন স্টোরেজ অনেক জনপ্রিয়। চেষ্টা করবেন ন্যূনতম ১২৮ জিবি ফোন মেমোরির মোবাইল বেছে নিতে। আর যদি ৬৪ বা তার কম মেমোরির ফোন নেন, তাহলে আপনার জন্য ডেডিকেটেড মেমোরি কার্ড স্লট বাধ্যতামূলকই বলা যায়।

৩. ক্যামেরা -
সত্যি বলতে ফোনের ক্যামেরা কম বেশি আমাদের সবারই লাগে। আর বর্তমানে তো একটি মোবাইলে ৩/৪ রকমের লেন্সের ক্যামেরা দিয়ে ভরা। তবে ক্যামেরা ৪০ -৫০ মেগা পিক্সেল না দেখে আপনার দেখা উচিৎ প্রাইমারি ক্যামেরা কত মেগা পিক্সেল। আর সাথে ফ্রন্ট ক্যামেরা কত। আপনি যদি শুধু ছবি তোলার জন্যই ফোন কিনেন তাহলে একটু বেশি বাজেটে ভাল ব্র‍্যান্ডের ক্যামেরা ফোন কেনাই উচিত। সব বড় ব্র‍্যান্ডই ক্যামেরা নির্ভর মোবাইল বের করে।

৪. র‍্যাম -
র‍্যাম আর প্রোসেসর আপনার মোবাইলের স্মুথনেস আর কাজ করার ক্ষমতা ও দ্রুততা নির্দেশ করবে। আপনি যদি শুধু কল আর টুকটাক কাজে ফোন ব্যবহার করেন তাহলে ২/৩ জিবি র‍্যামই আপনা জন্য যথেষ্ট। শুধু ক্যামেরা বা সাধারন ব্যবহারকারী হলে ৪/৬ জিবি আর যদি গেমার হন বা ভারী কাজ করেন তাহলে ৬/৮ জিবি র‍্যাম আপনা জন্য ভালো হবে।

৫. প্রোসেসর -
বর্তমানে সব মোবাইলেই মোটামুটি ভালো প্রসেসর ব্যবহার করা হয়। স্ন্যাপড্রাগন আর মিডিয়াটেক এর ভীরে একটু পরামর্শ রইল মিডিয়াটেক ফোন ভারী ব্যবহারে গরম হবার জন্য বিতর্কিত। তবে সত্য বলতে সব প্রসেসর এর মোবাইলই গরম হয়, মিডিয়াটেক একটু বেশি হয় এই আর কি। তবে গেমারদেত জন্য প্রসেসর কুলিং সিস্টেম আছে কিনা দেখে নেয়া উচিত।

৬. রম-
শাওমি, রেডমি এই দুই ব্র‍্যান্ড কেনার জন্য এই জিনিসটি নিয়ে ভাবতে হবে। এদের ৩ টি ভ্যারিয়েন্ট থাকে রমের। গ্লোবাল,  চাইনিজ, ইন্ডিয়ান। বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়াল ফোন গুলো ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এর হয়। আনফিশিয়াল ফোন গুলো যেগুলো কম দামে বসুন্ধরা বা অন্যান্য মার্কেটে বিক্রি হয় সেগুলোতে ৩ ভ্যারিয়েন্টই থাকে। আনঅফিশিয়াল কিনলে গ্লোবাইল কেনাই ভাল। চাইনিজ এর অল্প কম হয় গ্লোবাল ও ইন্ডিয়ান থেকে।

৭. ব্যাটারি -
আপনি দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে থাকলে ৫০০০/৬০০০ এমএএইচ এর ব্যাটারি আপনার জন্য আবশ্যক। তবে ৪০০০ হলেও মোটামুটি ভাল ব্যাকাপ পাবেন।

৮. ফাস্ট চার্জ -
আমাদের ব্যস্ততম জীবনে মোবাইল হাতে থাকেই। আর চার্জ দেয়ার সময় আমাদের জীবন যেন ফোন ছাড়া অচল। ৩০ ওয়াটের চার্জিং সাপোর্ট ফোন গুলো ৫০-৫৫ মিনিটে ফুল চার্জ হয়। আবার ৬০ ওয়াট আধা ঘন্টায়। আর বর্তমান বাজারে ১০০ ওয়াটের চার্জার ও রয়েছে। ফাস্ট চার্জিং এর জন্য আপনার ন্যূনতম ১৮ ওয়াটের চার্জিং সাপোর্ট ফোন বেছে নেয়া ভাল হবে।

৯. ব্র‍্যান্ড -
আপনি দামী ব্র‍্যান্ডের এন্ড্রয়েড ফোন চাইলে ওয়ান প্লাস, অপ্পো, স্যামসাং এসব দেখতে পারেন। মোটমুটি রেঞ্জে শাওমি, রিয়েলমি। আর কম দামে বেশি চাইলে সিম্ফনি, ওয়ালটন, টেকনো, ভিভো এসব।

১০. অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন -
অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন এক সময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বর্তমানে বছরে বছর নতুন অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আসে। সফটওয়্যার আপডেট এর মাধ্যমে ভাল ব্র‍্যান্ডগুলো অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপগ্রেড করে দেয়। তাই এটি নিয়ে বেশি প্যারা না নিলেও চলে।

১১. বাজেট -
চাহিদা থাকলেই কি হয় শুধু? বাজেট ও থাকা লাগে। তাই বাজেটের মধ্যে থাকতে আপনাকে এক দুটো চাহিদা বাদও দিতে হতে পারে। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোকেই আগে প্রাধান্য দিবেন।

সবকিছু মিলে গিয়ে কোন মোবাইল পছন্দ হলেই আগে ইউটিউব থেকে এর রিভিউ দেখে নিন। আসলেই পারফরম্যান্স কেমন। এটিসি চ্যানেলের ভিডিওগুলো অনেক মানসম্পন্ন।  সব খাপে খাপ মিলে গেলেই কিনে নিন আপনার পছন্দের ফোনটি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.