AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি? ধরন - আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মূল লক্ষ্যই হচ্ছে কম্পিউটার বা মেশিনকে মানুষের মত জ্ঞান বুদ্ধি দান করা যাতে মানুষের মত চিন্তা করতে পারে।
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

বর্তমানে খুব হট টপিক ChatGPT, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স চ্যাট বট যা গ্রাহকের চাহিদানুসারে এইচটিএমল কোড থেকে শুরু করে যেকোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিয়ে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে। এমনকি চ্যাটজিপিটিকে ভাবা হচ্ছে মেধার বিকল্প হিসেবে। চলুন আজ জানি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে। 

A.I. বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমরা সাইন্স ফিকশন সিনেমায় যেমন দেখি তার মত না হলেও কন্সেপ্ট না কাজ করার ধরন একই।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি?

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে বাংলা করলে দাঁড়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিজে কোন কাজ করতে পারে না, তাকে দেয়া কমান্ড বা নির্দেশের ভিত্তিতে কাজ করে, অর্থাৎ এর কোন বুদ্ধিমত্তা নেই। কিন্তু, কম্পিউটারের এই সফটওয়্যারকেই মানুষের মত বুদ্ধিমত্তা দেয়ার যে সুপ্ত বাসনা, যাতে সে নিজে থেকেই অনেক কাজ সম্পন্ন করতে পারে, তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আর এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মূল লক্ষ্যই হচ্ছে কম্পিউটার বা মেশিনকে নিজে নিজে মানুষের মত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দান করা যাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের কমান্ড ছাড়াই নিজেই মানুষের মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয় মেশিন লার্নিং। 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে কম্পিউটারকে মানুষের বুদ্ধিমত্তা এবং চিন্তাশক্তির অনুকরণ করানোর চেষ্টা করা হয়। সহযে বললে যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর করে বাস্তবায়ন করাই হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আর এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন এতটাই জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যে এখনকার একাডেমিক শিক্ষাতেও এটি একটি বিভাগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই বিভাগে পড়ানো হয় বুদ্ধিমত্তা প্রদর্শন করার ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার কিভাবে কাজ করে ও তা নির্মাণ করতে হয়।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের উদ্ভব

১৯৪০ সালে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থি। আর একারণেই এআই প্রুযুক্তির জনক তাকেই বলা হয়। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর পৃথিবীতে প্রযুক্তিগত উন্নতির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, আর এই প্রযুক্তিগত উন্নতির প্রয়োজনীয়তা থেকেই উদ্ভাবিত হয় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর। এর পর এটি নিয়ে কাজ করা শুরু হয়। এরপর ১৯৮০ সালে প্রথম আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স তৈরিতে বাণিজ্যিক ভাবে কাজ শুরু হয়। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর বিপ্লব শুরু হয় ১৯৯০ সালের দিকে। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে মানুষ এর উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে এবং এর হাত ধরেই ২০২৩ সালে এসে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর আমরা একটি নতুন মোড় দেখতে পেয়েছি।

বর্তমানে অনেক কোম্পানি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতে থাকে। যেমন Open Ai, গুগল বট ইত্যাদি। 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ধরন 

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে তিন টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

Narrow AI- এই ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু মাত্র একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরেই কাজ করতে পারে। যেমন - বিভিন্ন আর্টিকেল জেনারেটর A.I. যেমন র‍্যাশনাল, জেস্পার ইত্যাদি। চ্যাটজিপিটি কে ন্যারো ও জেনারেল উভয় ধরনের একটি সংমিশ্রণ। 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ধরন

Artificial General Intelligence- মেশিন, কম্পিউটার অথবা রোবট যখন মানুষ সাদৃশ কাজ করতে পারে তাকে আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স বলে। যেমন - বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে যে খাবার সার্ভ করার রোবট রয়েছে। বাংলাদেশেও এমন রেস্টুরেন্ট রয়েছে।

Super Intelligence- মুভিতে আমরা যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দেখি নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে এটিই সুপার ইন্টিলিজেন্স যা অনেক শক্তিশালী একটি বুদ্ধিমত্তা এবং প্রতিভাবান, যা বুদ্ধিমান মানুষের ক্ষমতাকে অতিক্রম করবে। এটি এখন ও তৈরি সম্ভব হয় নি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর ব্যবহার

আইফোনের জনপ্রিয় ফিচার সিরি, গুগল এসিস্ট্যান্ট, আলেক্সা, কর্টানা এগুলো সবই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। আমরা জেনে না জেনে এসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছি। 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর ব্যবহার

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কেন এত মাতামাতি? এর কারন এটি আমাদের কাজগুলোকে সহজ করে তোলে। আলেক্সা, কর্টানা, সিরি এরা সবাই ই ব্যবহারকারীর ভয়েস কমান্ড ফলো করে কাজ করতে পারে। গাড়ি চালানোর সময় ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে সহজেই যোগাযোগ সম্ভব। এমনকি রোড এক্সিডেন্ট এ সিরির ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে জীবন রক্ষার মত ঘটনা ও ঘটছে। আবার ডিপফেক টেকনোলজিতে মেশিন লার্নিং ও আর্টফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে আমরা এর দুর্ভোগও দেখতে পাচ্ছি।

আমাদের চারপাশে অনেক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার হয়ে থাকে। গেমে, ফোনের এপে সব খানেই আমরা জেনে না জেনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছি। মানুষের কৃত্রিম সহকারী ও হেল্পিং হ্যান্ড হিসাবে মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলোকে মেশিন দিয়ে করাতেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.