যে কারনে এত ফিচার সুবিধা দিয়েও আইফোনকে হারাতে পারছে না অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েড ফোন যেখানে ২-৩ বছরের মধ্যেই পার্ফমেন্স ড্রপ। সেখানে আইফোনের হার্ডওয়্যার এত ভালো যে পুরাতন ভার্সনের আইফোনগুলোও এখনও ভালো পারফর্মেন্স দেয়
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

জাভা, সিম্বিয়ান, ব্ল্যাকবেরি, আইফোন, উইন্ডোজ , অ্যান্ড্রয়েড সময়ের সাথে মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম এ এসেছে পরিবর্তন। জাভার পরপরই মোবাইল মার্কেট এ সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে রাজত্ব করেছিল। সাথে ব্ল্যাকবারি তাদের নিরাপত্তার জন্য ছিল জনপ্রিয়। কিন্তু তারপর টাচস্ক্রিন যুগের শুরুতেই এপল আর অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এর যখন যাত্রা শুরু, তখন নিজেদের ব্র‍্যান্ড ভ্যালুর দাম্ভিকতায় ব্ল্যাকবেরি ও নোকিয়া সময়ের সাথে এডাপ্ট করতে না পেরে হারিয়ে গেল। অন্যান্য জনপ্রিয় ব্র‍্যান্ডগুলো বেছে নিল অ্যান্ড্রয়েডকে আর এপল তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম এই বহাল তবিয়তেই থাকলো।

কেন আইফোনকে হারাতে পারেনি অ্যান্ড্রয়েড? 

সমসাময়িক ব্র‍্যান্ডগুলো যখন অল্প দামে অনেক বেশি ফিচার ও সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে, তখন অ্যাপল অনেক বেশি দামে অ্যান্ড্রয়েড চেয়ে কম সুযোগ সুবিধা দিয়েও বাজারের শীর্ষ স্থান দখল রেখেছে। আইফোনের দাম এতই বেশি যে আইফোন কেনাকে কিডনি বিক্রির সমতূল্য বলে জোকও করা হয়। তারপরেও আমেরিকার ৫০% এর ও বেশি মানুষ আইফোন ব্যবহার করে। কিন্তু কেন? কেন অ্যান্ড্রয়েড পেছনে ফেলতে পারে নি আইফোনকে?

১. হার্ডওয়ার -

দাম কমিয়ে ফিচার বাড়াতে গিয়ে স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো যা করেছে তা হলো হার্ডওয়্যার কম্প্রমাইজ। একটি ভালো ব্র‍্যান্ডের দামি অ্যান্ড্রয়েড ফোন যেখানে ২-৩ বছরের মধ্যেই পার্ফমেন্স ড্রপ। সেখানে আইফোনে ব্যবহার করা হার্ডওয়্যার এতটাই ভালো যে পুরাতন ভার্সনের আইফোনগুলো ব্যবহার বন্ধ করতে আইফোন সফটওয়্যার ভার্সন আপডেটের মাধ্যমে পার্ফমেন্স ড্রপ করানো হয়। তাই পার্ফমেন্স এর দিক দিয়ে অনেক এগিয়েই থাকে আইফোন।

কেন আইফোনকে হারাতে পারেনি অ্যান্ড্রয়েড?

২. সিকিউরিটি -

শাওমি, স্যামসাং এর মত কোম্পানিগুলোর সিইও রাও নিজেদের ব্র‍্যান্ডের মোবাইল না ব্যবহার করে ব্যবহার করেন আইফোন। এর কারন সিকিউরিটি। আইফোনে যে সিকিউরিটিজ রয়েছে তা দিতে পারে না অ্যান্ড্রয়েড। বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ায় ডাটা সিকিউরিটি নিয়ে খুব একটা মাথাব্যথা না থাকলেও উন্নত দেশের মানুষজন প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিতে অনেক গুরুত্ব দেয়। আর এ কারনেই আইফোনের এত কদর।

৩. সফটওয়্যার আপডেট

একটি ভালো ব্র‍্যান্ডের অ্যান্ড্রয়েড ফোন সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ এক বা দুইটি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করতে পারে, সেখানে আইফোনগুলো এর চেয়ে বেশি ভার্সন আপডেট পায়।

৪. বাগ - 

অ্যান্ড্রয়েডে প্রচুর পরিমাণ ফিচার আর সেই সাথে বাগ ও সমস্যাও প্রচুর। সেখানে আইফোনে বাগ খুবই কম

৫. কোয়ালিটি - 

হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মিলিয়ে আইফোন কোয়ালিটির দিক দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড থেকে অনেক এগিয়ে।

৬. মেইন্টেইনেন্স - 

আইফোন তাদের ফোনের যে কোন ধরনের সমস্যার সমাধানে নিজস্ব সার্ভিসিং সেন্টার ছড়িয়ে ফেলেছে। অ্যান্ড্রয়েড ব্র‍্যান্ডগুলোর ও নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার থাকলেও আইফোনের মত তারা এতটা বিস্তৃত হতে পারে নি।

৭. পারফর্মেন্স - 

আইফোনের পার্ফমেন্স নি:সন্দেহে অ্যান্ড্রয়েড থেকে অনেক এগিয়ে। 

৮. ব্র‍্যান্ড ভ্যালু

আইফোন বর্তমানে আভিজাত্য বা ক্লাসের প্রতিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অল্প সামান্য নতুনত্ব নিয়ে আইফোনের নতুন মোবাইলও হরদমসে মানুষ কিনে নেয়।


এশিয়ার মার্কেট বিশ্বমার্কেটে সবচেয়ে বড় ও অর্থনৈতিক অবস্থার কারনে মার্কেটে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বেশি বিক্রিত হলেও ইউরোপের দেশগুলোতে আইফোন ক্রমশ অ্যান্ড্রয়েড থেকে বড় বাজারে পরিণত হচ্ছে। আর এসব কারনেই আইফোন থেকে পিছিয়ে পড়ছে অ্যান্ড্রয়েড। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.